...

অনেকের প্রশ্ন : আমি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করি, মাসনুন আমলগুলো করি, তাহাজ্জুদ আদায় করি, সঠিক ভাবে পর্দা পালন করি, শরীয়ার বিধানগুলো মেনে চলি, কোরআন তেলোয়াত করি, ঘুমানোর শরীয়তসম্মত আমলগুলো করি।

তারপরও কেন আমি যাদুতে আক্রান্ত হওয়ার মাধ্যমে মানসিক সমস্যায় , শারীরিক সমস্যায় , রিজিকেন্দ্রীক সমস্যায় ,সম্পর্ক বিচ্ছেদের সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছি?

🟢আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন

🔸যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় এ দোয়া তিনবার পাঠ করবে সে সকাল পর্যন্ত কোনো দুর্ঘটনার/ সমস্যা শিকার হবে না।

بِسْمِ اللَّهِ الَّذِى لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَىْءٌ فِى الأَرْضِ وَلاَ فِى السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

-আবু দাউদ : ৫০৯০, তিরমিজি : ৩৩৮৮

🔸রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন

পবিত্র কোরআনের সর্বশেষ তিনটি সুরা (ইখলাস, ফালাক ও নাস)।এই তিনটি সুরা পাঠ করবে ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর এবং ঘুমানোর সময় যাবতীয় অনিষ্ট থেকে মুক্ত থাকবে।

(আবু দাউদ: ৫০৮২)

এমন অনেক গুলো নিরাপত্তার আমলের কথা বলা হয়েছে। আর এগুলো করার পরও কেন আক্রান্ত হয়।

🟥 বিষয়টি বুঝার জন্য একটি উদাহরণ দেওয়া যাক:

 

একজন ব্যক্তি চাচ্ছে সে চিকেন পক্স দ্বারা আক্রান্ত হবে না। তখন তাঁকে ডাক্তার পরামর্শ দিলো সে যেন চিকেন পক্সের সমস্ত টিকাগুলো গ্রহণ করে।

ব্যক্তি পূর্ব সতর্কতা অনুযায়ী চিকেন পক্স এর টিকা
গুলো গ্রহণ করল যাতে করে তার শরীরে চিকেন পক্সের জীবাণু প্রবেশ না করে এবং সে সুস্থ থাকে।

কিন্তু এত সতর্কতা পালন করার পরও ব্যক্তিটি চিকেন পক্স দ্বারা আক্রান্ত হলো অর্থাৎ নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে জীবাণুটি প্রবেশ করলো আল্লাহর ইচ্ছায় এবং সে আক্রান্ত হলো।

এখন সে পুনরায় টিকা গ্রহণ করবে না বরং চিকিৎসা গ্রহণ করবে এবং চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থতার চেষ্টা করবে।……..

🔻ঠিক তেমনিভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিয়ে যাওয়া সকল নিরাপত্তার আমল গুলো করার পরও কেউ যদি আক্রান্ত হয় তাকে অবশ্যই শরীয়ত সম্মত চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

🔴 আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মূলত জ্বিন,যাদু দ্বারা আক্রান্ত করার মাধ্যমে কোন মানুষকে পরীক্ষা করতে চান।

কিংবা তার গুনাহ গুলো ক্ষমা করে দিতে চান, বা ব্যক্তিকে কেয়ামতের দিনের গুনাহের কারণে ভয়ংকর আজাব থেকে মুক্ত করতে চান অথবা আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে মৃত্যুর পর গুনাহ মুক্ত অবস্থায় সাক্ষাৎ করতে চাই আল্লাহ রব্বুল আলামিন।

 

🔲 যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদ নজরে দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলেন তখন তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।

জিবরীল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তার রুকইয়াহ ব্যবস্থা করেন এবং তিনি সুস্থ হয়ে উঠেন।

 

🔘 এর থেকে বোঝা যায় যে সকল আমল করার পরও যে কোন ব্যক্তি আল্লাহর ইচ্ছায় আক্রান্ত হবে।

🔻তাহলে আক্রান্ত ব্যক্তি কি মাসনুন আমলগুলো করবে না?

অবশ্যই আক্রান্ত ব্যক্তিকে রুকইয়াহ করার সাথে সাথে মাসনুন আমল গুলো করে যেতে হবে। মাসনুন আমল গুলো করতে হবে যাতে করে নতুন কোন সমস্যায় আক্রান্ত না হয়।

সংগ্রহ এবং সংযোজিত

🔸

এপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার নিয়মঃ
.
নূন্যতম ৩ দিন আগে কল দিয়ে সিরিয়াল বুক করতে হয়। তবে খালি থাকা সাপেক্ষে ইমার্জেন্সী সিরিয়াল তথা যেদিনের সিরিয়াল সেদিনও মোবাইলে যোগাযোগ করে দেওয়া যায়।
কল দিবেন সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ টার মধ্যে নিম্নোক্ত নম্বরে।
     .
📞 01763 951  371
📞  01833 406 632
    .

সেন্টারের লোকেশনঃ
.
  রোড ১৯, বাসা ৫৫ (২য় তলার বামপাশে) রুপনগর আবাসিক, মিরপুর-২, ঢাকা ১২১৬
.
 গুগল ম্যাপ লোকেশন:
.
.
সোশ্যাল মিডিয়া:
.
❇️ টেলিগ্রাম: https://t.me/quranictreatmentbd
❇️মেসেঞ্জার: 📮 http://m.me/QuranicTreatmentBd
❇️ ট্রেনিং গ্রুপ: https://www.facebook.com/groups/833450798461695/ 
❇️ পেশেন্টদের রিভিউ:  https://www.facebook.com/groups/623845769646953/
❇️  রুকইয়াহ সাজেশন: https://www.facebook.com/groups/QuranicTreatmentBD/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *