...

রুকইয়াহ কেন্দ্রীক সমস্যা ও লক্ষনসমূহ শরীরে মানসিকতায় বিভিন্ন পরিবর্তন ও লক্ষন তৈরী করে। ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ সেশনে মূলত ক্লায়েন্টের কাছ থেকে সমস্যা ও সমস্যা সংক্রান্ত সম্ভাব্য লক্ষণসমূহ শুনে সেই সকল লক্ষন অনুযায়ী একটি সম্ভাব্য লক্ষনভিত্তিক ডায়াগনোসিস সম্পূর্ণ হয়।

অতঃপর ডায়াগনোসিস করার উদ্দেশ্যে ক্লায়েন্ট কে সামনে বসিয়ে সেই লক্ষনের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট কিছু সময় “সরাসরি রুকইয়াহ” করা হয়? যার দ্বারা সম্ভাব্য আক্রান্ত ব্যক্তি কোনো ধরনের রুকইয়াহ কেন্দ্রীক সমস্যায় আক্রান্ত কিনা তা অধিকতর নিশ্চিত হওয়া যায়। “সরাসরি রুকইয়াহ” শেষে আক্রান্ত ব্যক্তিকে পরবর্তী ট্রিটমেন্ট সংক্রান্ত নির্দেশনা ও সেল্ফ রুকইয়াহ গাইডলাইন প্রদান করা হয়।

💠 “সরাসরি রুকইয়াহ” কিভাবে করা হয়?

“সরাসরি রুকইয়াহ” মানে হচ্ছে সম্ভাব্য আক্রান্ত ব্যক্তিকে সামনে বসিয়ে রুকইয়াহ সংশ্লিষ্ট আয়াত, বৈধ বাক্য, দু’আর বাক্য (মুখে অথবা স্পিকারে উচ্চশব্দে) ইত্যাদি পড়া। যার ফলে রোগী আক্রান্ত হলে রুকইয়াহ শোনার দ্বারা সেই সমস্যা সমূহ ধ্বংস হতে শুরু করে। যার ফলে রোগী সেই প্রতিক্রিয়া অনুভব করেন।

💠 সমস্যা থাকলে রুকইয়াহ তে কি ধরনের প্রতিক্রিয়া হতে পারে?

রুকইয়াহ তে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া তিন ধরনের হতে পারে সাধারনত-

১। পেট কেন্দ্রীক প্রতিক্রিয়া:

রোগীর পেট কেন্দ্রীক যাদু, বদ নজর,,হাসাদ ইত্যাদির সমস্যা থাকলে রুকইয়াহ শোনার পর রোগীর বমি বা বমিভাব, কাশি, ঢেকুর ইত্যাদি আসতে পারে।

২। শারীরিক প্রতিক্রিয়া:

আক্রান্ত ব্যক্তি সরাসরি রুকইয়াহ করলে তার বিভিন্ন শারীরিক প্রতিক্রিয়া যেমন- রুকইয়াহ শুনে ঘুম চলে আসা, শারীরিক অস্থিরতা, হাত পা মাথায় ব্যাথা বা ভার, শ্বাসকষ্ট বা শরীরের কোনো অংশে চাপ অনুভুত হওয়া, হাত পায়ের কোনো অংশ নাড়ানাড়ি বা নিজের অজান্তে ঝাকানো অথবা চাপ দিয়ে ধরে রাখা ইত্যাদি। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত হন। রুকইয়াহ তে সেগুলো ধ্বংস হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলে তখন রোগী সেগুলোকে প্রতিক্রিয়া হিসেবে অনুভব  করেন।

৩। মানসিক প্রতিক্রিয়া:

রোগী যদি জ্বীন আক্রান্ত হন তাহলে সমস্যাগুলো রুকইয়াহর দ্বারা নির্মূল হওয়ার সময় একজন রোগীর বিভিন্ন মানসিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে। যেমন কান্না আসা, ভয়, হাসি আসা ইত্যাদি।

💠 সমস্যা থাকলে কী ডায়াগনোসিস সেশনে ধরা পড়বে?

– প্রতি ১০০ জনের ভেতর ৬৫-৭০ জন আক্রান্ত রোগীর ডায়গ্নোসিস সেশনেই বিভিন্ন শারীরিক মানসিক প্রতিক্রিয়া হয়। বাকি ৭০ থেকে ৯৫ ভাগ পেশেন্টের ক্ষেত্রে ডায়গ্নোসিস সেশনে প্রাথমিকভাবে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া হয়না। কারন তার সমস্যার উপর “হুসুন” কাজ করে। এই ৭০-৯৫ ভাগ পেশেন্টের ক্ষেত্রে প্রাথমিক ডায়াগনোসিসের পর পরবর্তী ডায়াগনোসিস হিসেবে রুকইয়াহর অন্যান্য প্রক্রিয়া অবলম্বন করার দ্বারা তিনি দ্রুত সুস্থ হতে শুরু করেন এবং সুস্থতার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে তিনি বিভিন্ন শারীরিক মানসিক প্রতিক্রিয়া অনুভব করেন।

বাকি ৫ পারসেন্ট রোগীর ক্ষেত্রে “হুসুন” সংক্রান্ত জটিলতা এত বেশী হয় যে, তা ধ্বংস হয়ে শারীরিক মানসিক প্রতিক্রিয়া শুরু হতে নির্দিষ্ট সময়ব্যাপী একটি ট্রিটমেন্ট গাইডলাইন ও প্ল্যান অনুসরন করার প্রয়োজন হয়।

💠 “হুসুন” কী?

কোনো একজন যাদু, বদনজরে আক্রান্ত হলে সেগুলো শরীরের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গিট তৈরী করে অথবা একজন ব্যক্তি কোনো কারনে জ্বীন আক্রান্ত হলে শরীরে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা জ্বীন বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ধরনের যাদুর গিট, বদনজর ও হাসাদের দ্বারা শরীরে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকে। ফলে অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, প্রাথমিক “সরাসরি ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ” তে কারো কোনো প্রতিক্রিয়া অনুভূত হয় না। এক্ষেত্রে  “পরবর্তী ডায়াগনোসিস” হিসেবে রুকইয়াহর অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া যেমন- তাদমির, ইস্তিফরাগ, ইসহাল, ইগতিসাল ইত্যাদির সমন্বয় করা হলে সেই সকল “গিট/ হুসুন” ধ্বংস হয় এবং রোগী রুকইয়াহ জনিত বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া অনুভব করে  দ্রুত সুস্থ হতে শুরু করেন।

🔸সেন্টার : রোড ১৯, বাসা -৫৫ (২য় তলা), রুপনগর আবাসিক, মিরপুর ২, ঢাকা।

আমাদের সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত :
https://www.facebook.com/share/p/1DyDpwJ4xN/?mibextid=Nif5oz

📲 রুকইয়াহ ও হিজামা সেশনের  সিরিয়ালের জন্য কল দিবেন (সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে)

+88 01763-951-371
+88 01833-406-632

মেসেঞ্জার:
📮  m.me/QuranicTreatmentBd

টেলিগ্রাম:
https://t.me/quranictreatmentbd

ওয়েবসাইট:
www.quranictreatmentbd.com

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *