...
🔴 যে লক্ষন দেখে বুঝবেন আপনি বদনজরে আক্রান্ত
১।বার বার হাই আসা।
২।চুলকানি /এলার্জি
৩।ঢেকুর আসা
৪।গরম এবং ঠান্ডা অনুভব হওয়া
৫।ক্রমাগত হাঁচি
৬।শরীরে দাগ এবং ফোঁড়ার উপস্থিতি
৭।শরীরে ক্ষত
৮।চোখের নিচে কালো হয়ে যাওয়া।
৯।হাতাশা বা ভয়
১০।মাথাব্যথা
১১। ঘুমাতে গেলে শরীর ঝাঁকি দিয়ে উঠা
যাদের এমন লক্ষন একের অধিক /৩-৪টা মিলছে তারা বনজরের সেল্ফ রুকাইয়াহ করুন।বা কোন দক্ষ রাক্বি কাছে গিয়ে সরাসরি রুকাইয়াহ করুন
.
🔴 যে লক্ষন দেখে বুঝবেন আপনি যাদুতে আক্রান্ত
১। শরীর জ্বালাপোড়া করা ও সারা শরীরে প্রচুর বিষ-ব্যথা করা,
২। হঠাৎ হঠাৎ /বার বার অসুস্থ হয়ে যাওয়া কোন কারণ ছাড়াই। মেডিক্যাল টেস্ট রিপোর্টে শুরুর দিকে তেমন কোন সমস্যা ধরা পড়ে না।তবে মারাত্মক সমস্যা হলে যাদুর কারণে শারীরিক রোগ হলে সেটা ধরা পড়ে।
৩। হাত পা অবশ বা প্যারালাইজড হয়ে যাওয়া।মাথা ঘাড়সহ পুরো শরীর ভারী হয়ে যায় মনে হয়।
৪।খাওয়া -দাওয়া করা স্বত্বেও শরীর শুকিয়ে শুকনো কাঠের মতো হয়ে যায়।
৫।শরীর ও চেহারা কালো হয়ে যাওয়া।চোখের নিচে কালোদাগ পড়া।খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেওয়া। খাবার খেতে একদম অনীহা, খেলে বমি করে দেওয়া।
৬।জাগ্রত অবস্থায় ও স্বপ্নে বার বার বিভিন্ন খাবার খেতে দেখা।পরের দিন অসুস্থ হয়ে যাওয়া। আছর থেকে মাগরিব, রাত ১২টা থেকে ৩টা বা দিনে রাতে অন্য কোন নির্দিষ্ট সময়ে শরীরে খারাপ লাগে ও অসুস্থ হয়ে যায়।
৭।স্বপ্নে সাপ,কুকুর, বিড়াল, জ্বিন,কবর স্থান, লাশ-মৃতমানুষ, পানিতে পড়ে যাওয়া, বার বার খাবার খেতে দেখা। উপর থেকে পড়ে যাওয়া ও আকাশে উড়তে দেখা
🛑 যাদের এমন লক্ষন একের অধিক /৩-৪টা মিলছে তারা যাদু/সিহরের সেল্ফ রুকাইয়াহ করুন,বা কোন দক্ষ রাক্বি কাছে গিয়ে সরাসরি রুকাইয়াহ করুন
.
🔸রিজিকে বাঁধার যাদুর লক্ষণ:
১।সব কাজে বারবার বাধাগ্রস্ত হয়।হওয়া কাজও যেন হয়ে উঠে না।বারবার ক্যানসেল হয়ে যায় ।
২।রিজিক ও আয় উন্নতিতে বার বার বিফলে যাওয়া।কিছুতেই সফলতার মুখ না দেখা। বারবার চাকরি চলে যাওয়া। ব্যবসা ধ্বংস হয়ে যাওয়া।
৩।একসময় আয়-রোজগার ভালো ছিল হঠাৎ করে সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাওয়া এবং সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ হতে না পারা।সর্বোচ্ছ চেষ্টা করেও বারবার বিফল হয়ে যাওয়া।
৪।চাকরি,ব্যবসার কাজে গেলেই বারবার অসুস্থ হয়ে যাওয়া কিংবা এক্সিডেন্ট করা।ক্যারিয়ারের কাজে মনোযোগ না থাকা। কাজ করতে গেলে মাথা ভার হয়ে যাওয়া।অলস,দূর্বল ও ক্লান্ত লাগা। শরীরের মাংস পেশীতে চিন চিন করে অস্বস্তিকর ব্যাথা অনুভব করা।
৫।রিজিকের কাজে বসলে শরীরের কোন কোন জায়গায় মাংসপেশি অনবরত লাফাতে থাকা।
৬।কাজ করতে বসলেই হাই উঠে ঘুম চলে আসা। লিখতে বসলে কম্পিউটারে কিংবা টেবিলে তখন হাত ও কোমড় ব্যাথা করে।
🔸যাদের এমন লক্ষন একের অধিক /৩-৪টা মিলছে তারা সেল্ফ রুকাইয়াহ করুন বা কোন দক্ষ রাক্বি কাছে গিয়ে সরাসরি রুকাইয়াহ করুন।
.
🛑পড়াশোনা নষ্টের যাদুর লক্ষণ
.
১।পড়তে বসলে মাথা ভার হয়ে আসে,ক্লান্ত লাগে ও ঘুম আসে।
২।পড়তে বসলে মাথা,চোখ, পিঠ ও কোমড়ে চিন চিন করে অস্বস্তিকর ব্যাথা অনুভব হয়।
৩।পরীক্ষা আসলে কোন কারণ ছাড়াই অসুস্থ হয়ে যায়। অতিরিক্ত দুঃশ্চিতা করে,অনেক সময় নির্ঘুম রাত কাটায়।
৪।বার বার ফেল করে।বয়স শেষ হয়ে কিন্তু পাশ করে বের হতে পারে না।
৫।মাথায় ভিতর অযাচিত চিন্তাভাবনা ঘুরপাক খায় এবং প্রচুর সময় নষ্ট করে।
৬। মাথা,চেহারা ও চোখে চাপ অনুভূত হয়।
৭।মুখ দিয়ে পড়তে অসুবিধা হয়।বার বার গলা বসে যায় বা ভেঙ্গে যায়।
৮।কথা বলতে গেলে তোতলায়,মুখে কথা আটকে যায়,কারো সামনে বক্তৃতা দিতে হাত-পা কাঁপে।
যাদের এমন লক্ষন একের অধিক /৩-৪টা মিলছে তারা সেল্ফ রুকাইয়াহ করুন বা কোন দক্ষ রাক্বি কাছে গিয়ে সরাসরি রুকাইয়াহ করুন।
.
🔴 জ্বিনের আছরের লক্ষণ!
.
১।রোগী স্বপ্নে বার বার সাপ,কুকুর,বিড়াল,বাঘ,
মহিষ,সিংহকে আক্রমণ করতে দেখে।
২।স্বপ্নে খাবার খেতে দেখে।
৩।বোবায় ধরা বা স্লিপিং প্যারলাইসিস এটা বারবার
হয়।
৪।রোগী দেখে কালো ছায়া, সাদা-নীল আগুনের গোলা
আসে-পাশে ঘুরছে।অন্য কেউ তা দেখে না।
৫।বাসায় এখানে সেখানে সাপ,কুকুর,বিড়াল
দেখে,যেটা অন্য দেখে না।অস্বাভাবিক আচরণ করে।
৬।সজাগ অবস্থায়ও রোগীর সামনে,পিছনে কেউ
দাড়িয়ে আছে অনুভূতি জাগে।রোগী অদৃশ্য
আওয়াজ, কান্না, হাসি ও কথা শুনতে পায়।যা
পরিবারের অন্য কেউ শুনতে পায় না।
৭।সারাক্ষণ মাথার ভিতর ওয়াসওয়াসা,দুশ্চিন্তা ও
অশ্লীল চিন্তা ঘুরপাক খায়।
★যাদের এমন লক্ষন একের অধিক /৩-৪টা মিলছে তারা সেল্ফ রুকাইয়াহ করুন বা কোন দক্ষ রাক্বি কাছে গিয়ে সরাসরি রুকাইয়াহ করুন।
.
🔴যে লক্ষণ গুলো দেখে বুঝতে পারবেন আপনি
OCD/ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত কিনা.
১।বার বার ওয়াসওয়াসা আসে
(যে কোন বিষয়ে বার বার চিন্তা
করতে থাকা)।
২।নাপাকী ও অপবিত্রতার ওয়াসওয়াসা( নিজের শরীর
বা পোশাক অপবিত্র মনে করে বার বার ধোয়া)।
৩।সন্দেহের ওয়াসওয়াসা(অন্য ব্যক্তিকে সন্দেহ
করা,স্বামী স্ত্রী একে অন্যকে সন্দেহ করা)।
৪।যৌনতা ও অশ্লীল কাজের ওয়াসওয়াসা।(ব্যক্তি
অশ্লীল কাজ না করা বা না দেখা পর্যন্ত স্থির হয় না)।
৫।আত্মহত্যা ও ডিপ্রেশনের ওয়াসওয়াসা(জ্বিন
ব্যক্তিকে হতাশ করে বার বার নিজেকে মেরে
ফেলতে নির্দেশ দেয়)।
৬।পাগল বানানোর ওয়াসওয়াসা( জ্বিন মাথার মধ্যে
ব্যক্তিকে বার বার বলতে থাকে তুমি তো পাগল হয়ে
যাচ্ছ)।
৭।মৃত্যু ও ভয়ের ওয়াসওয়াসা ( ব্যক্তি সব সময় ভাবতে
থাকে-আমি তো মারা যাব বা আমার মৃত্যু তো ঘনিয়ে
আসছে)।
ভয়ের ওয়াসওয়াসা-
(ভয়ে মানুষের বুক ধড়পড় করে,কোন শব্দ শুনলে
ভয় পেয়ে যায়।দরজায় নক করলেও ভয় পেয়ে
যায়)।
৮।কুফরি, ঈমান ও শিরকের ব্যাপারে
ওয়াসওয়াসা(জ্বিন ব্যক্তিকে ওয়াসওয়াসা দেয়
তোমার তো ঈমান নেই।তুমি তো কুফরি করছ
ইত্যাদি)।
৯।স্বলাত ও ইবাদাত নিয়ে ওয়াসওয়াসা(ব্যক্তির স্বলাত
পড়তে ভালো লাগে না,স্বলাত পড়ে কি হবে অনেক
তো পড়েছি এমনটা ভাবতে থাকে।স্বলাতের রাকাত
সংখ্যা ভুলে যায়)।
ওয়াসওয়াসা:
ইসলামের বিধিবিধান নিয়ে ওয়াসওয়াসা দিতে
থাকে।যেমন:হজ্জ,যাকাত)।
🔸যাদের এমন লক্ষন একের অধিক /৩-৪টা মিলছে
তারা দক্ষ রাক্বীর কাছে সরাসরি রুকইয়াহ করুন বা
ওয়াসওয়াসার সেল্ফ রুকাইয়াহ করুন।
.
🔴 বিয়ে বন্ধের যাদুর লক্ষণ
.
১।বিয়ের কথা উঠলে কথা বার্তা
চললে রুগী অসুস্হ হয়ে যায়।
২।বিয়ের কথা শুনলে রাগ উঠে,চেহারা কালো হয়ে
যায়।ছটফট শুরু হয়।
৩।প্রস্তাবদাতার চেহারা নিজের কাছে বিশ্রী লাগে যদিও
সে সুন্দর ইউক না কেন।
৪।বিয়ের প্রস্তাবদাতাকে খারাপ মনে হয় ও বারবার
সন্দেহ জাগে ও দুশ্চিন্তায় ভুগতে থাকে।
৫।বিয়ের প্রস্তাব বারবার পাত্র কিংবা পাত্রী উভয়
ফিরিয়ে দেয় বা না করে দেয় কোন ছাড়াই।বারবার
বিয়ে ভেঙ্গে যায়।
৬।আক্রান্ত ব্যক্তি যৌন অনুভূতি হারিয়ে ফেলে।
৭।ঘুমের ভিতর সিঁদুর, শাখা,চুড়ি,শাড়ি পড়তে দেখে
নিজেকে।অনেক সময় নিজেকে উলঙ্গ দেখে।
৮।স্বপ্নের মধ্যে নিজের অথবা অন্য কারও বিয়ে হতে
দেখে।
যাদের এমন লক্ষন একের অধিক /৩-৪টা মিলছে তারা সেল্ফ রুকাইয়াহ করুন বা কোন দক্ষ রাক্বি কাছে গিয়ে সরাসরি রুকাইয়াহ করুন।
.
🔴 আসক্ত জ্বিন/আশিক জ্বিন দ্বারা আক্রান্তের লক্ষণ!
.
১।স্বপ্নে নিজের বা অন্য কারো বিয়ে হতে দেখে। শাড়ি,চুড়ি, গয়না ইত্যাদি পড়ে সাজতে দেখা।বাস্তবেও অনেক মেয়েরা প্রচুর সাজগোজ করে আয়নার সামনে নিজেকে বারবার দেখে।
২।স্বপ্নে সহবাস করতে দেখা ও বারবার স্বপ্নদোষ হওয়া। এই জাতীয় জ্বিন স্বপ্নে প্রচুর হ্যারাচমেন্ট করে।আক্রান্ত রোগীরা জাগ্রত অবস্থায়ও অনেক সময় অনুভতি বুঝতে পারে,অনেকে বাঁধা দিতেও পারে না।জ্বিন শয়তানের সাথে পেরে উঠে না।
৩।পুরুষের কারো ভিতর মেয়েলি স্বভাব প্রকাশ পায়। আবার মহিলাদের কারো ভিতর পুরুষ স্বভাব প্রকাশ পায়।পুরুষের কন্ঠস্বর মহিলাদের মতো হয় আবার মহিলাদের কন্ঠস্বর পুরুষদের মতো হয় কিছুটা।অনেক সময় পুরুষদের ব্রেস্ট ডেভেলপমেন্ট করে।
৪।শরীরের জ্বিনের ও বাইরের জ্বিনের প্রতি ভালোলাগা ও অশ্লীল আসক্তি তৈরি হওয়া।
৫।বিয়ে করতে অনীহা এবং বিয়ের কথা শুনলেই রেগে যাওয়া, চেহারা মলিন হয়ে যায়।
যাদের এমন লক্ষন একের অধিক /৩-৪টা মিলছে তারা সেল্ফ রুকাইয়াহ করুন বা কোন দক্ষ রাক্বি কাছে গিয়ে সরাসরি রুকাইয়াহ করুন।🔹আশিক জ্বিন দূর করতে দক্ষ রাক্বি কাছে রুকাইয়াহ করতেই হবে,সেলফ রুকাইয়াহ পাশাপাশি।🔹
.
🔴 অসুস্থতা যাদুর লক্ষণ
.
১।দিনে দিনে স্বাস্থ্যহীনতা ঘটে,স্বাস্থ্য ভেঙ্গে যায়, শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায়।
২। প্রায়ই শরীর ঝাকুনি বা খিচুনি দিয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়।
৩।পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের কোন একটি কাজ না করা।
৪।শরীরের কোন অঙ্গ বা পুরো শরীর সর্বদা বিষ ব্যাথা থাকা।
৫।পুরো শরীর অসাড়/নিশ্চল হয়ে যাওয়া।
৬।একের পর এক অসুস্থ হওয়া অথচ মেডিকেল টেস্ট এর রিপোর্ট সচারাচর নরমাল আসা,জটিল ও মারাত্মক রোগে রূপ নেয়ার পূর্বে সহজে কোন কিছু ধরা না পড়া।
যাদের এমন লক্ষন একের অধিক /৩-৪টা মিলছে তারা অসুস্হতা যাদু ধ্বংসের সেল্ফ রুকাইয়াহ করুন।বা কোন দক্ষ রাক্বি কাছে গিয়ে সরাসরি রুকাইয়াহ করুন।
.
🔴 গর্ভের সন্তান নষ্টের লক্ষণ!
.
১।রোগীর মিসক্যারেজ হওয়ার আগে স্বপ্নে বার বার বাচ্চা হতে দেখা বা মারা যেতে দেখা। অনেক সময় সাপ বা জন্তু জানোয়ার কামড় দিচ্ছে স্বপ্ন দেখা।বিভিন্ন বিপদের স্বপ্ন দেখা।
২।স্বপ্নে ছোট ছোট বাচ্চাদের সাথে খেলা করতে দেখা।
৩। স্বপ্নে বাচ্চা খেলতে খেলতে পানিতে, কুয়াতে বা গর্তে পড়ে যেতে দেখা।
৪।বাচ্চা কনসিভ করার কয়েক মাসের মধ্যে বার বার মিসক্যারেজ হয়ে যায় কোন কারণ ছাড়াই। তলপেট প্রচন্ড ব্যাথা করে।
৫।পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তক্ষণ হয়।
৬।পিরিয়ড অনিয়মিত হয়/অনেক সময় অনেক দিন ধরে চলতে থাকে।
৭।ইস্তেহাযার ও অতিরিক্ত সাদাস্রাবের সমস্যা হয়।
🔸যাদের এমন লক্ষন একের অধিক /৩-৪টা মিলছে তারা সেল্ফ রুকাইয়াহ করুন বা কোন দক্ষ রাক্বি কাছে গিয়ে সরাসরি রুকাইয়াহ করুন।
★ “যাদের এমন সমস্যা আছে তারা রুকাইয়াহ করার পাশাপাশি অবশ্যই চিকিৎসাকের শরণাপন্ন হবেন”
.
🔴 “যিনা,ফাহিশার(পরকীয়া,মাদকাসক্তির) জাদুর লক্ষণ”
.
১।রোগী অবৈধ আসক্তি তথা নেশা,পরকীয়া,যিনা ও ফাহিশা কাজে লিপ্ত হয়।
২।অনেক সময় মাস্টারবেট বা হস্তমৈথুন ও পর্ন এডিক্টেড হয় কিছুতেই এর থেকে বের হতে পারে না।
৩।কখনো কখনো দুশ্চিন্তা পেরেশানি ও যিনা ফাহিশার কাজে লিপ্ত হতে হতে এক সময় ড্রাগ নেই। মুখে খাওয়ার মাধ্যমে অথবা ইনজেকশনের মাধ্যমে, কেউ বা ইয়াবা ও গাজার নেশায় আসক্ত হয়ে উন্মাদ হয়ে পড়ে।
৪।এই জাদুতে আক্রান্তরা পরিবারের সদস্যদের সাথে পশুর ন্যায় খারাপ আচরণ করে।সারাক্ষণ রাগারাগি করে, উগ্র মেজাজে থাকে।
৫।এরা বিপরীত লিঙ্গ,সম-লিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে খারাপ কাজে লিপ্ত হয় অথবা হওয়ার চেষ্টা করে এমনকি যার সাথে বিবাহ হারাম তাদের প্রতি খারাপ চিন্তা করে।
৬।এদের ভিতর সারাক্ষণ অশ্লীল চিন্তা ঘুরপাক খায়।এ থেকে সহজে বের হতে পারে না এগুলো নিয়েই পড়ে থাকে আর জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট করে।
💢যাদের এমন লক্ষন একের অধিক /৩-৪টা মিলছে তারা সেল্ফ রুকাইয়াহ করুন।অব্যশই কোন দক্ষ রাক্বি কাছে গিয়ে সরাসরি রুকাইয়াহ করুন।
.
🔴 যৌন-অক্ষমতার যাদুর লক্ষণ
.
১।যৌন ইচ্ছা একদম চলে যায়।সহবাসে একদম অনিহা জাগে।
২।হাজবেন্ড কাছে আসলে বিরক্ত লাগে। শরীরের ভিতরে অশান্তি লাগে, অনেক সময় গরম লাগে ওর শরীর জ্বালাপোড়া বা ব্যথা করে।
৩।স্বামী-স্ত্রী একজন আর একজনের শরীর স্পর্শ করলে প্রচুর সুড়সুড়ি,বিরক্ত লাগে এবং এবং রাগ উঠে।
৪।স্বামী স্ত্রীর উভয়ের যৌন অনুভুতিতে সারা দেওয়ার ইচ্ছা হ্রাস পায়।
৫।হঠাৎ কোন কারণ ছাড়াই যৌন অক্ষম ও একদম নিস্তেজ হয়ে যায়।
৬।বিয়ের আগে ঠিক থাকলেও বিয়ের পর থেকে যৌন অক্ষমতার সমস্যা শুরু হয়।
৭।স্ত্রীর কাছে গেলেই যৌনাঙ্গ ভারী হয়ে আসে ও ব্যথা করে।
৮।আবার কেউ সহবাস করতে পারলেও দ্রুত বীর্যপাত হয়।
যাদের এমন লক্ষন একের অধিক /৩-৪টা মিলছে তারা সেল্ফ রুকাইয়াহ করুন।বা কোন দক্ষ রাক্বি কাছে গিয়ে সরাসরি রুকাইয়াহ করুন।
.
🔴 পিরিয়ড অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের/ইস্তেহাযার যাদুর
লক্ষণ।
.
১।পিরিয়ড অনিয়মিত হয়, কখনো তিন দিনের কম এবং সাত দিনের বেশি,কখনও কয়েক মাস ধরে পিরিয়ড চলতে থাকে।
২।অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে।
৩।প্রচুর দুর্গন্ধ যুক্ত সাদা স্রাব নির্গত হয়।
৪।তলপেটে অতিরিক্ত ব্যথা বেদনা অনুভব হয়। এছাড়া মাতা ও লজ্জাস্থানে ব্যথা অনুভব হয়।
৫।রোগী স্বপ্নে আজেবাজে জিনিস দেখা। স্বপ্নে মারতে ও আঘাত করতে দেখা।
৬।রোগীকে বারবার বোবাই ধরে এবং ঘুম ভালো হয় না।
৭।পুরুষদের ক্ষেত্রে এরকম কাছাকাছি সমস্যা হিসেবে প্রস্রাবের ইনফেকশন হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে।বারবার প্রস্রাবের চাপ পায় ও অতিরিক্ত প্রস্রাব হয়।আবার অনেক সময় ফোটায় ফোটায় প্রস্রাব হয়।
💢যাদের এমন লক্ষন একের অধিক /৩-৪টা মিলছে তারা বনজরের সেল্ফ রুকাইয়াহ করুন।বা কোন দক্ষ রাক্বি কাছে গিয়ে সরাসরি রুকাইয়াহ করুন।
কনফার্ম হওয়ার জন্য এই পরীক্ষামূলক রুকইয়াহর টেস্টটি করুন এরপর আপডেট দিবেন এই পোস্টে তাই পোস্টটি সেইভ করে রাখুন।
আমরা কমেন্টস এ আপনার সমস্যা ও করণীয় কি বলে দিব ইনশ-আল্লাহ….।
.
.
রুক্বইয়াহ অডিও টেস্ট :
.
আর নিচের অডিও ৭টি শুনে আমাদের জানান শোনার পর কেমন লাগছে?
এই https://staging.quranictreatmentbd.com/audio/
লিংক ভিজিট করে সেখান থেকে ৪৬ থেকে ৫১ নং অডিও
প্রতিদিন ২টি করে শুনে ৩ দিনে শেষ করবেন।
.
গায়ে/ঘরে কোন তাবিজ থাকলে খুলে নষ্ট করে মহান আল্লাহর কাছে তওবা করবেন যে আর কখনো তাবিজ ব‍‍্যবহার করবেন না। তারপর রুকইয়াহ শুনবেন।
.
তাবিজ বা যাদু নষ্টের নিয়ম
.
: https://staging.quranictreatmentbd.com/destroytabij/
ওযু ছাড়াও শুনতে পারবেন। বিশ্রাম নিয়ে আরেকটা শুনতে পারবেন। যখন কেউ বিরক্ত করবে না তখন শুনবেন।
.
 রুকইয়াহ শুনার সময় কি কি প্রতিক্রিয়া হতে পারে?
.
কখনও হেডফোন দিয়ে, কখনও লাউড স্পিকারে।
অডিও শোনার সময় বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া হতে পারে। যেমনঃ
প্রচন্ড ঘুমঘুম ভাব,মাথা ঝিমঝিম করা,মাথা ব্যাথা/যন্ত্রণা করা,
প্রচন্ড অস্বস্তি,পেটে (বা অন্য যেকোনো অঙ্গে) প্রচন্ড ব্যাথা,অস্বাভাবিক গরম বা ঠান্ডা লাগা,হাত-পা অবশ হয়ে আসা,বমিবমি ভাব। ইত্যাদি।
প্রতিক্রিয়া যেমনই হোক চক্ষু বন্ধ রেখে মনোযোগ দিয়ে অডিও শেষ পর্যন্ত শুনবেন। প্রতিদিন কি কি প্রতিক্রিয়া হল তা নোট রাখবেন।
এভাবে নিয়মিত ৭ দিন অডিও শোনার পর কোন কোন দিন কি কি প্রতিক্রিয়া হয়েছে তা এই পোস্টে লিখে দিয়ে পরবর্তী পরামর্শ গ্রহণ করবেন। 
যদি কোন প্রতিক্রিয়া নাও হয় তারপরও আপনি আক্রান্ত থাকতে পারেন তাই অডিও টেস্ট এর উপরে নির্ভর না করে আপনি একজন রাকির সাথে পরামর্শ করে ও রুকইয়াহ করে সমস্যা কনফার্ম হয়ে চিকিতসা নিন।
Admin🔺
কার্টেসি: Raqi Gazi Md Tanjil
আমাদের লেখা কপি করতে অনুমতি নেই।
আমাদের গ্রুপের নতুন/পুরাতন পেশেন্টদের জন্য তেরী করা ।

এপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার নিয়মঃ
.
নূন্যতম ৩ দিন আগে কল দিয়ে সিরিয়াল বুক করতে হয়। তবে খালি থাকা সাপেক্ষে ইমার্জেন্সী সিরিয়াল তথা যেদিনের সিরিয়াল সেদিনও মোবাইলে যোগাযোগ করে দেওয়া যায়।
কল দিবেন সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ টার মধ্যে নিম্নোক্ত নম্বরে।
     .
📞 01763 951  371
📞  01833 406 632
    .
সেন্টারের লোকেশনঃ
.
  রোড ১৯, বাসা ৫৫ (২য় তলার বামপাশে) রুপনগর আবাসিক, মিরপুর-২, ঢাকা ১২১৬
.
 গুগল ম্যাপ লোকেশন:
.
.
সোশ্যাল মিডিয়া:
.
❇️ টেলিগ্রাম: https://t.me/quranictreatmentbd
❇️মেসেঞ্জার: 📮 http://m.me/QuranicTreatmentBd
❇️ ট্রেনিং গ্রুপ: https://www.facebook.com/groups/833450798461695/ 
❇️ পেশেন্টদের রিভিউ:  https://www.facebook.com/groups/623845769646953/
❇️  রুকইয়াহ সাজেশন: https://www.facebook.com/groups/QuranicTreatmentBD/
.
যারা কুরআন-হাদিস অনুযায়ী শরঈয়তসম্মত এই চিকিৎসা জানে না তাদের কাছে আমাদের লিংকগুলো শেয়ার করে পৌছে দিন।
আপনার একটি শেয়ারের মাধ্যমে যদি কেউ উপকৃত হয়।

5 Responses

  1. আমি পড়ালেখায় অনেক পারদর্শী ছিলাম আগে কিন্তু এখন পড়ালেখা ভালোভাবে করতে গেলেই কয়েকদিন পর অসুস্থ হয়ে পড়ি ভীষণভাবে। নামাজে মন বসেনা, কয়েকদিন ঠিকমতো নামাজ আদায় করলে অসুস্থ হয়ে পড়ি। সর্দি, কাশি লেগেই থাকে প্রায়, শরীর জ্বালা করে, খুব অস্বস্তি লাগে, কোনো কাজে আগ্রহ পাইনা, দুর্বল বোধ করি। স্বপ্নের মাঝে সাপ দেখেছি চারদিন, আমার কাছের মানুষের বিপদ দেখি, রাতে বিভিন্ন দোয়া পড়ে শোবার পরেও মনে হয় আমার আশেপাশে কেউ আছে, আমার জীবন একবছর মতো হলো প্রায় থমকে আছে। আমার বয়স ১৯ বছর, আমার মনে হয় কেউ আমার পড়ালেখায় ভালোর জন্য ক্ষতি করতে চাই।

    1. 🪷 সাজেশন 🪷
      *বরই পাতার রুকইয়াহ গোসলের নিয়ম*
      ৭ টা কাচা বরই পাতা 🍃 নিবেন এবং সেগুলো পিষবেন পিষার পর সেই মিশ্রণটির উপর সূরা ফাতিহা ৩ বার আয়াতুল কুরসি ১ বার আর সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক সূরা নাস ৭ বার করে পড়ে ফুঁ দিবেন। তারপর যে বালতিতে গোসল করবেন সেই বালতিতে সেই পিষা বরই পাতার বেশির ভাগ অংশ বালতির ভেতর 🪣 ফেলবেন তারপর পানি ছেড়ে🚰 বালতি ভরে নিবেন। তারপর সেখান থেকে গোসল করবেন।
      ❇️ এভাবে রুকইয়াহ গোসল করবেন *প্রতি সপ্তাহে ৩ দিন করে মোট ৭ দিন ইন শা আল্লাহ*

      ⚠️ রুকইয়াহ শুনার নিয়মঃ
      – বসা অবস্থায়, ইয়ারফোন লাগিয়ে, চোখ বন্ধ করে, [মনে মনে] নিয়ত করে শুনবেন। নিয়তটা হলো মহান আল্লাহ যেন আপনি যেই সমস্যার জন্য শুনছেন সেটা ভালো করে দেন।
      – রুকইয়ার গোসলের সময় নিয়ত করবেন শরীরে থাকা বদনজর, গিট, যাদুর সমস্যা গুলো থেকে মহান আল্লাহ শিফা দেন।

      🔹পড়াশোনা যাদুর নষ্টের রুকইয়াহ লিংক (১) https://www.youtube.com/live/kcmc_IUhza8?si=Hu_zVGiSsLSIAdol

      🔹 বদনজর দূর করার রুকইয়াহ https://youtu.be/ETzTcPebZjQ?si=Y1zmwC5hjPyNqZ1K

      🔹 ইবাদাত আর পড়াশোনায় বাধা দূর করার রুকইয়াহ
      https://www.youtube.com/live/wTX4h3DgQBQ?si=OJXkoGIXTNeud7W_

      রুকইয়ার অডিওগুলো প্রতিদিন শুনবেন পরবর্তী সাজেশন নেওয়ার আগ পর্যন্ত ইন শা আল্লাহ।

      সূরা বাকারার ১০২ নং আয়াত । সূরা আরাফ, আয়াত: ১০৬-১২২। সূরা ইউনুস, আয়াত: ৭৯-৮২।সূরা ত্বহা, আয়াত: ৬৫-৬৯।
      সূরা ফালাক এবং সূরা নাস পড়বেন ৭ বার করে। প্রতিবার আয়াত গুলো এবং সূরা পড়ার পর পানিতে ফুঁ দিবেন (একদম হালকা থুথু সহ ফুঁ) আর সবশেষে দুরুদ পড়বেন এবং পানিটা পান করবেন।

      ✳️ ফজরের সময় আর আছরের সময় সূরা ইখলাস সূরা ফালাক এবং সূরা নাস পড়বেন ৩ বার করে আর আয়াতুল কুরসি পড়বেন ১ বার করে। এটা হলো নিরাপওার জন্য রাসূল ছাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া ছাল্লাম এর শিখানো আমল। এই আমল সারাজীবন করবেন ইন শা আল্লাহ।

      🌃 *রাতে ঘুমানোর আগে আমল* 🌙

      আমল (১)- আয়াতুল কুরসি ১ বার পড়বেন।
      আমল (২) – ২ হাত মোনাজাতের 🤲 মতো করবেন এবং ফুঁ দিবেন তারপর সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক সূরা নাস পড়বেন এবং মাথার তালু থেকে পায়ের তালু পর্যন্ত পুরো শরীর মুছবেন। আবার দুই হাত 🤲 ওভাবে করবেন ফুঁ দিবেন তারপর সূরা ইখলাস ফালাক নাস পড়বেন এবং শরীর মাথা থেকে পা পর্যন্ত মুছবেন। আবারও একই জিনিস করবেন অর্থ্যাৎ মোট ৩ বার করবেন আমলটি।

      ❇️ জীবনে যেকোনো কঠিন জিনিস অর্জন করতে হলে লেগে থাকতে হয় ঠিক তেমনি রুকইয়াহ করে শয়তানকে পরাজিত করার জন্য আপনাকে ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকতে হবে। প্রতি জুমুআবারে আপনার অবস্থার রুকইয়া আপেডট দিবেন কমেন্ট করে। ইন শা আল্লাহ

  2. This is really interesting, You’re a very skilled blogger.

    I’ve joined your feed and look forward to seeking more of
    your fantastic post. Also, I have shared your website in my social networks!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *